অ্যান্টিবায়োটিকসহ সব ধরনের রোগজীবাণুনাশক ওষুধের অযথা ব্যবহার রোধ ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে বরগুনায় মানববন্ধন ও র্যালি হয়েছে।
রবিবার সকাল ১০টায় বরগুনা প্রেসক্লাব চত্বরে বিশ্ব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ উপলক্ষে জাগোনারী ও বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের সহযোগিতায় এ কর্মসূচির আয়োজন করে জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরাম।
প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধন শেষে র্যালি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ফার্মেসি পট্টিতে সমাবেশে মিলিত হয়।
জেলা স্বাস্থ্য অধিকার যুব ফোরামের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন অপুর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজের সাবেক উপপরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউনুস আলী, জেলা মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবীর মৃধা, জেলা বিএনপি নেতা হারুন অর রশিদ হাওলাদার এবং জাগোনারীর উইমেন ডেভেলপমেন্ট অফিসার আফরোজা সুলতানা আঁখিসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, অপ্রয়োজনে রোগজীবাণুনাশক ওষুধ সেবনে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় বিপদ তৈরি হচ্ছে। দেশে মৃত্যুবরণকারী রোগীদের নমুনায় ৭০-৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে ওষুধ প্রতিরোধী জীবাণু পাওয়া যায়। এখনই পদক্ষেপ না নিলে এএমআর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মহামারিতে রূপ নিতে পারে।
জেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সভাপতি হাসানুর রহমান ঝন্টু বলেন, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ও পরজীবী সময়ের সঙ্গে ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠে। এতে চিকিৎসা জটিল হয়, ব্যয় বাড়ে এবং মৃত্যু ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। এ পরিস্থিতিতে সচেতনতা বৃদ্ধি, প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ, চিকিৎসকদের দায়িত্বশীল আচরণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার ও ওষুধজাত বর্জ্যের সঠিক নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যান্টিবায়োটিক সচেতনতা সপ্তাহ চালু করে। যা ২০২০ সালে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সচেতনতা সপ্তাহ নামে পরিচিত হয়। মানব প্রাণী পরিবেশকে একত্রে বিবেচনায় নেওয়া ওয়ান হেলথ ধারণার ভিত্তিতেই এ কর্মসূচি পরিচালিত হয়।
দ্যা জেপি নিউজ







