দ্যা জে.পি নিউজ, বরগুনা।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় এক বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলে জুলহাস প্যাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃদ্ধা মা, ছোট ছেলে ও পুত্রবধূ আহত হয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আঠারোগাছিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বৃদ্ধা কতভানু (৮৫) মৃত সেকান্দর প্যাদার স্ত্রী। তার পাঁচ ছেলে-মেয়ে। এর মধ্যে এক ছেলে মারা গেছেন। বর্তমানে তিন ছেলে ও এক মেয়ে জীবিত রয়েছেন। বড় ছেলে জুলহাস প্যাদা ও ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা বাড়িতে থাকেন। মেঝো ছেলে বাবুল প্যাদা পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃদ্ধা কতভানু ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদার সঙ্গে থাকেন। তার ওষুধ ও দৈনন্দিন খরচের দেখভাল করেন ছোট ছেলে। তবে নিজের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের খরচের জন্য বড় ছেলে জুলহাস প্যাদার কাছে সহযোগিতা চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হতো বলে অভিযোগ করেন বৃদ্ধা।
বৃদ্ধা কতভানুর অভিযোগ, শনিবার সন্ধ্যায় এ বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ছেলে জুলহাস প্যাদা, তার স্ত্রী ও সন্তানরা তাকে মারধর করেন। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা ও তার স্ত্রী শিউলি বেগমকেও মারধর করা হয়।
আহত ফেরদৌস প্যাদা বলেন, আমার মা দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে থাকেন। একার আয়ে সংসার চালানো ও মায়ের চিকিৎসার খরচ বহন করতে কষ্ট হচ্ছে। মা বড় ভাইয়ের কাছে তার খরচের অংশ চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন। আমি ও আমার স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আমাদেরও মারধর করা হয়।
বর্তমানে বৃদ্ধা কতভানু, তার ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা ও পুত্রবধূ শিউলি বেগম আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জুলহাস প্যাদার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াকুব হোসাইন বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।







