দ্যা জেলখানা প্রেস নিউজ

২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ■ ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্যা জেলখানা প্রেস নিউজ

/

বরগুনার আমতলীতে বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগ

বরগুনার আমতলীতে বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগ

||

দ্যা জে পি নিউজ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
দ্যা জে.পি নিউজ, বরগুনা।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় এক বৃদ্ধা মাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলে জুলহাস প্যাদার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বৃদ্ধা মা, ছোট ছেলে ও পুত্রবধূ আহত হয়ে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছেন। শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার আঠারোগাছিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আঠারোগাছিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বৃদ্ধা কতভানু (৮৫) মৃত সেকান্দর প্যাদার স্ত্রী। তার পাঁচ ছেলে-মেয়ে। এর মধ্যে এক ছেলে মারা গেছেন। বর্তমানে তিন ছেলে ও এক মেয়ে জীবিত রয়েছেন। বড় ছেলে জুলহাস প্যাদা ও ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা বাড়িতে থাকেন। মেঝো ছেলে বাবুল প্যাদা পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃদ্ধা কতভানু ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদার সঙ্গে থাকেন। তার ওষুধ ও দৈনন্দিন খরচের দেখভাল করেন ছোট ছেলে। তবে নিজের চিকিৎসা ও ভরণপোষণের খরচের জন্য বড় ছেলে জুলহাস প্যাদার কাছে সহযোগিতা চাইলে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হতো বলে অভিযোগ করেন বৃদ্ধা।
বৃদ্ধা কতভানুর অভিযোগ, শনিবার সন্ধ্যায় এ বিষয়কে কেন্দ্র করে বড় ছেলে জুলহাস প্যাদা, তার স্ত্রী ও সন্তানরা তাকে মারধর করেন। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা ও তার স্ত্রী শিউলি বেগমকেও মারধর করা হয়।
আহত ফেরদৌস প্যাদা বলেন, আমার মা দীর্ঘদিন ধরে আমার সঙ্গে থাকেন। একার আয়ে সংসার চালানো ও মায়ের চিকিৎসার খরচ বহন করতে কষ্ট হচ্ছে। মা বড় ভাইয়ের কাছে তার খরচের অংশ চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন। আমি ও আমার স্ত্রী বাধা দিতে গেলে আমাদেরও মারধর করা হয়।
বর্তমানে বৃদ্ধা কতভানু, তার ছোট ছেলে ফেরদৌস প্যাদা ও পুত্রবধূ শিউলি বেগম আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জুলহাস প্যাদার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াকুব হোসাইন বলেন, অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি ‍শেয়ার করতে নিচের বাটনগুলোতে চাপ দিন

আরো খবর

    Opps, No posts were found.